নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। এসময় তার সাথে আরও পাঁচ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
একই সাথে মঙ্গলবার ১৮ মার্চ বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পৃথম দুই মামলায় ১০ দিন করে রিমান্ড চাইলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঈনউদ্দিন কাদির তাদের ৫ দিন করে মোট ১০ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন। কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. কাইউম খান এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
রিমান্ডপ্রাপ্তরা হলেন, আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনী ওরফে আতাউল্লাহ (৪৮), মোস্তাক আহমেদ (৬৬), সলিমুল্লাহ (২৭), মো. আসমতউল্লাহ (২৪) ও হাসান (৪৩)। এরা সকলেই মায়ানমারের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। সেই সাথে আতাউল্লাহ ছাড়া বাকী সকলেই কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করতেন। তাদের সাথে সিদ্ধিরগঞ্জে ভূমিপল্লী আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মনিরুজ্জামান (২৪) রয়েছে।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম মোল্লা বলেন, আসামিরা নারায়ণগঞ্জ ও ময়মনসিংহ সহ দেশের বিভিন্ন এলাকা আগে নাশকতামূলক অপরাধ কর্মকাণ্ড সংগঠিত করার জন্য গোপন বৈঠক করে আসছিলো। র্যাব ও পুলিশ গোপন সংবাদ পায় যে আসামিরা নাশকতামূলক কর্মকান্ড সংগঠিত করার জন্য সিদ্ধিরগঞ্জে ভুমি পল্লি আবাসন এলাকার একটি বহুতল ভবনে গোপন বৈঠক করছে। এমন সংবাদের ভিত্ত্বিতে র্যাব পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনী ওরফে আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে ৯টি হত্যা মামলা সহ অনেক অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে গত ১৭ মার্চ রাতে ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিদ্ধিরগঞ্জের ভূমিপল্লী আবাসিক এলাকার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে র্যাব-১১। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ২১ লক্ষ ৩৯ হাজার ১০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ মজুমদার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিদ্ধিরগঞ্জের ভূমিপল্লী আবাসিক এলাকার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে র্যাব গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনী রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :