নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শামীম ওসমানের কর্মী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যাসহ একাধিক মামলার এজাহার ভুক্ত আসামিকে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়ায় ফুঁসে উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। তীব্র নিন্দা ও প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
রোববার ২৩ মার্চ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার স্বাক্ষরিত এক আদেশে বলায় হয় বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিয়োগ আদেশ বাতিল করে ১নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুর রশিদ আহমেদকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হলো। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ আদেশ সোমবার দুপুরে ফতুল্লায় ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু বলেন, আব্দুর রশিদ বিএনপির কোন পদে নেই। যতটুকু জানি আব্দুর রশিদ সন্ত্রাসীদের গডফাদার আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি শামীম ওসমানের সরাসরি আর্শীবাদে ও ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীর সন্ত্রাসী বাহিনীর জাল ভোটে বক্তবলী ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ড থেকে মেম্বার নির্বাচিত হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শওকত আলীর সাথে ছাত্রদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। এ হামলার ঘটনায় আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে ফতুল্লাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা হয়েছে।
এ মামলায় র্যাব ও পুলিশ পৃথক সময় একাধিকবার রশিদকে গ্রেপ্তারও করেছে। সেই রশিদকে জেলা প্রশাসক ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে এটা আমাদের কাছে দুঃখজনক তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরা স্বৈরাচারীর দোষরদের মেনে নিতে পারিনা। এ নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল চাই। অন্যথায় আন্দোলন করা হবে।
আব্দুর রশিদ আহমেদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে এটা জেলা প্রশাসক সবই জানে। আমি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার যোগ্য হওয়ায় আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে।
এবিষয়ে জানতে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরীকে একাধিকবার ফোন করে মুঠো ফোনে তাকে পাওয়া যায়নি।
আপনার মতামত লিখুন :